২১ মে ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০২:৩৩:৩৩ অপরাহ্ন
পে স্কেল বাস্তবায়নে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিলে বাড়তে পারে ভারসাম্যহীনতা
  • আপডেট করা হয়েছে : ২১-০৫-২০২৬
পে স্কেল বাস্তবায়নে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিলে বাড়তে পারে ভারসাম্যহীনতা

‎২০১৫ সালে অষ্টম পে-স্কেল কার্যকরের পর প্রায় এক দশক ধরে নতুন বেতন কাঠামো পায়নি সরকারি চাকরিজীবীরা। এবার দীর্ঘ ১১ বছর পর নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী অর্থবছরের শুরু থেকেই ধাপে ধাপে মূল বেতন বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা বাড়ানোরও প্রস্তাব রয়েছে।



‎ সরকারি হিসাব বলছে, বর্তমানে প্রায় ২৩ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারীর বেতন ও পেনশন বাবদ বছরে ব্যয় হচ্ছে প্রায় এক লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের প্রথম ধাপে অতিরিক্ত প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে প্রস্তাবিত বাজেটে। তবে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে প্রয়োজন অতিরিক্ত এক লাখ ৬ হাজার কোটি টাকারও বেশি।



‎সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান বলছেন, জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির বাস্তবতায় বেতন বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তবে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় না নিলে অর্থনীতিতে বাড়তে পারে ভারসাম্যহীনতা।


‎ ‎প্রস্তাবিত স্কেলে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা বর্তমানে ৮ হাজার ২৫০ টাকা। সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান বলছেন, বেতন বাড়লে উৎপাদনশীলতা, কর্মদক্ষতা ও জবাবদিহিতা বাড়ানোর ওপর সমান গুরুত্বদিতে হবে।



‎ ‎বিশ্বব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলছেন, বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা, রাজস্ব সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ছাড়া এ উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে চাপের কারণও হতে পারে।



শেয়ার করুন