২৪ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার, ০৬:২০:৫২ অপরাহ্ন
নিজ বেতনের টাকায় জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০৭-২০২৬
নিজ বেতনের টাকায় জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

জুলাই শহীদ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক উদ্যোগ নিয়েছেন পঞ্চগড়-২ আসনের সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। নিজের সরকারি বেতন-ভাতার অর্থ থেকে চারটি জুলাই শহীদ পরিবারকে মাসিক আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পাশাপাশি দুই পরিবারের সদস্যের সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করেছেন তিনি।



জানা গেছে, প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ব্যক্তিগত উদ্যোগে জেলার চারটি জুলাই শহীদ পরিবারকে প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দিয়ে আসছেন। একই সঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে বাকি দুই পরিবারের সদস্যকে উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের উদ্যোগ নেন।



সরকারি বিধান অনুযায়ী উপজেলা পরিষদে সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষে অফিস সহায়ক নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। তার সুপারিশের ভিত্তিতে বোদা ও দেবীগঞ্জ দুই উপজেলায় দুই শহীদ পরিবারের সদস্যকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়।



এরই মধ্যে বোদা উপজেলা পরিষদের সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষে অফিস সহায়ক হিসেবে যোগ দিয়েছেন সাকোয়া ইউনিয়নের জুলাই শহীদ সুমনের বোন। অন্যদিকে দেবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের পরিদর্শন কক্ষে একই পদে দায়িত্ব নিয়েছেন মারেয়া ইউনিয়নের জুলাই শহীদ আবু সাইদের ছেলে মামুন ইসলাম।


দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইন্দ্রজীৎ শাহ বলেন, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের নির্দেশনা ও সুপারিশের ভিত্তিতে জুলাই শহীদ আবু সাইদের ছেলে মামুন ইসলামকে অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।



একই তথ্য নিশ্চিত করে বোদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলাম বলেন, প্রতিমন্ত্রীর সুপারিশে জুলাই শহীদ সুমনের বোনকে বোদা উপজেলা পরিষদের সংসদ সদস্যের পরিদর্শন কক্ষে অফিস সহায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। শহীদ পরিবারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়।



এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, ‘আমরা যেমন মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করি, তেমনি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকেও সমানভাবে ধারণ করি। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই শপথ নেওয়ার পর সরকারি বেতন থেকে প্রতি মাসে চারটি জুলাই শহীদ পরিবারকে পাঁচ হাজার টাকা করে সহায়তা দিয়ে আসছি। পাশাপাশি বাকি দুই পরিবারের সদস্যকে অফিস সহায়ক পদে চাকরির ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছিলাম, যা ইতোমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। শহীদ পরিবারের পাশে থাকা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।’

শেয়ার করুন