১৩ অক্টোবর ২০২৬, মঙ্গলবার, ০৪:২৬:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে পৃথক ঘটনায় বৃদ্ধা-ব্যবসায়ীকে হত্যা
  • আপডেট করা হয়েছে : ১২-১০-২০২৬
রাজশাহীতে পৃথক ঘটনায় বৃদ্ধা-ব্যবসায়ীকে হত্যা

রাজশাহীতে পৃথক দুটি ঘটনায় এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার এবং জমি নিয়ে বিরোধের জেরে এক ব্যবসায়ীর হত্যা করা হয়েছে। 


রোববার (১১ অক্টোবর) দিনগত রাতে নগরীর কেদুর মোড় এলাকা থেকে ৭০ বছর বয়সী বেলী খাতুন নামের ওই বৃদ্ধার লাশ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, একই দিন সন্ধ্যায় পবা উপজেলার খড়খড়ি কমলাপুর এলাকায় চাচাতো ভাইয়ের পক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে জিয়ারুল ইসলাম (৪৫) নামের এক বাঁশ ব্যবসায়ী হত্যা করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য উভয়ের মরদেহ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।


নগরীর কেদুর মোড় এলাকায় নিজ বাড়িতে একাই থাকতেন বেলী খাতুন। তার স্বামী কয়েক বছর আগে মারা গেছেন এবং চার ছেলেমেয়ে দেশের বাইরে থাকেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়ির ভাড়াটিয়া দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করেও বেলী খাতুনের কোনো সাড়া পাচ্ছিলেন না। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তারা এসে দরজা ভেঙে ভেতরে তার মৃতদেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশ ঐ নারীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। 



বোয়ালিয়া মডেল থানার ওসি মাছুমা মুস্তারী জানান, নিহতের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড এবং ২ থেকে ৩ দিন আগে তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের গৃহকর্মীসহ তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ।


অন্যদিকে, রোববার বিকেল সন্ধার দিকে পবা উপজেলার খড়খড়ি কমলাপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারামারির ঘটনায় মারা যান জিয়ারুল ইসলাম। তিনি মৃত ওসমান আলীর ছেলে এবং পেশায় বাঁশের তৈরি আসবাবপত্রের ব্যবসায়ী ছিলেন।


জানা গেছে, নিহত জিয়ারুল ইসলাম ও অভিযুক্ত মিনারুল সম্পর্কে চাচাতো ভাই। তাদের পূর্বপুরুষদের মধ্যে দীর্ঘ ধরে জমি নিয়ে বিরোধ ও মামলা চলমান ছিল। এ নিয়ে আগেও একাধিকবার মারামারির ঘটনা ঘটেছে। রোববার মিনারুল এক ক্রেতাকে ওই বিরোধপূর্ণ জমি বিক্রির উদ্দেশ্যে দেখাতে নিয়ে গেলে জিয়ারুলের পক্ষ বিষয়টি জানতে পারে। এরপর উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে জিয়ারুলকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


এ বিষয়ে নগরীর চন্দ্রীমা থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


শেয়ার করুন