১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১২:১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সৌদি আরবের ৩ শহরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় আহত ১৩
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০৯-২০২৬
সৌদি আরবের ৩ শহরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলায় আহত ১৩

সৌদি আরবের তিনটি শহরে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।


সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি জানান, সোমবার খামিস মুশাইত, আবহা এবং তায়েফ শহরকে লক্ষ্য করে এই হামলাগুলো চালানো হয়। হামলায় শিকার ব্যক্তিদের শরীরে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের আঘাত লেগেছে এবং সাতটি বাড়ি ও দুটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।


তুর্কি আল-মালকি হুথিদের বিরুদ্ধে বেসামরিক জনগণ ও অবকাঠামোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ তোলেন এবং আত্মরক্ষার অধিকারের অধীনে এসব হামলা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।


 


এ ঘটনার পর মঙ্গলবার ভোরে জেদ্দা, ইয়ানবু, তায়েফ, আবহা, জাজান এবং আলউলা—এই ছয়টি শহরে ‘সম্ভাব্য বিপদ’-এর সতর্কতা জারি করে সৌদি সিভিল ডিফেন্সের সাধারণ পরিদপ্তর। পরবর্তীতে এই ঝুঁকি কেটে গেছে জানিয়ে জনসাধারণকে জরুরি প্রয়োজনে ৯১১ নম্বরে যোগাযোগের আহ্বান জানানো হয়।


এর আগে সোমবার হুথি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র এহিয়া সারিয়া দাবি করেন যে আগের ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের পাঁচটি প্রদেশে ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি যুদ্ধবিমান। এফ-১৫ এবং টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে চালানো এসব হামলা ‘বিনা জবাবে পার পাবে না’ বলে তিনি সতর্ক করেন।


 


সোমবারের শুরুতে খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করে হুথিরা। একই সঙ্গে তারা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুমকি দেয়।


কয়েক বছরের আপেক্ষিক শান্তির পর জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী এবং হুথিদের মধ্যে সংঘর্ষ তীব্র রূপ নেয়। ২০১৪ সালে হুথিরা রাজধানী সানা দখলের পর দেশটিতে যুদ্ধ শুরু হয় এবং ২০১৫ সালে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে সমর্থন জানাতে মাঠে নামে সৌদি জোট।


সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


শেয়ার করুন