০৬ নভেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১০:১০:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ হাসিনাকে আম্মারের চ্যালেঞ্জ, ‘দেশে আয়, দেখব কে বাঁচায়’
নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৬-১১-২০২৬
শেখ হাসিনাকে আম্মারের চ্যালেঞ্জ, ‘দেশে আয়, দেখব কে বাঁচায়’

‘খুনি হাসিনা দেশে আয়, দেখব তোরে কে বাঁচায়’, এমন ব্যঙ্গাত্মক গানের সুরে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এমন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাবেক সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার।


শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারসহ তিন দফা দাবিতে চট্টগ্রামে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচির সমাবেশে গান পরিবেশন করে তিনি এ চ্যালেঞ্জ দেন। তার গাওয়া গান ও বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে নগরের আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি জামালখান এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল জাবের ও সদস্যসচিব ফাতিমা তাসনিম জুমা। এ ছাড়া সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা অংশ নেন।


সমাবেশে বক্তারা শহীদ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং শাপলা, পিলখানা ও জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। এসব দাবি বাস্তবায়নে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে মঞ্চে ওঠেন সালাহউদ্দীন আম্মার। ব্যঙ্গাত্মক গানের সুরে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘ও হাসিনা, গেছোস কি না ভুইলা আমারে? আমি এহন মিছিল করি টর্চের আলোতে, ও আমি এহন মিছিল করি রাইতের আধারে।’

গানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। একপর্যায়ে শিবিরের মারধর, বিভিন্ন দলের কার্যালয়ের পরিস্থিতি এবং গুলিস্তানে সহিংসতার প্রসঙ্গ টেনে ব্যঙ্গাত্মক কথা বলেন। গানের আরেক অংশে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসকে নিয়েও কটাক্ষ করেন তিনি।


গানের শেষাংশে শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে আম্মার গেয়ে ওঠেন, ‘খুনি হাসিনা দেশে আয়, দেখবো তোরে কে বাঁচায়, দেখবো তোরে কে বাঁচায়।’

এ সময় মঞ্চের সামনে থাকা নেতা-কর্মীদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। তার পরিবেশিত গানটির ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।



শেয়ার করুন