১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শনিবার, ১২:২০:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেবা নিতে গিয়ে মুগ্ধ কাটাখালীবাসী'র প্রশংসায় ভাসছেন ওসি নুরুজ্জামান
স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৮-০৯-২০২৬
সেবা নিতে গিয়ে মুগ্ধ কাটাখালীবাসী'র প্রশংসায় ভাসছেন ওসি নুরুজ্জামান

থানার আমূল পরিবর্তন করার কারিগর রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কাটাখালী থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুরুজ্জামান। তিনি কাটাখালী থানার ওসি হিসেবে যোগদান করেন ১৭ আগস্ট ২০২৬ সালে। যোগদানের পর মাত্র এক মাসের মধ্যেই তিনি পাল্টে দিয়েছেন থানার সার্বিক চিত্র। ওসি মোঃ নুরুজ্জামান  চুরি, ছিনতাই, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত কাটাখালী গড়তে রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে তিনি এখন কাটাখালীবাসীর আস্থা ও ভরসার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। থানায় সেবা নিতে আসা স্থানীয়রা জানান, এখন আর কোনো হয়রানি বা দালালের খপ্পরে পড়তে হয় না। সরাসরি ওসির রুমে গিয়ে নিজের সমস্যার কথা বলা যায়। স্থানীয় বাসিন্দা রাশেদ জানান, তিনি একটি প্রয়োজনে থানায় গিয়েছিলেন এবং কোনো হয়রানি ছাড়াই ওসি তাকে নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে তার কথা শুনে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছেন।

একই অভিজ্ঞতার কথা জানান আব্দুর রহমান। তিনি বলেন, নতুন ওসির ব্যবহার ও কাজে তিনি মুগ্ধ। রুবিনা বেগম নামের আরেক সেবা গ্রহীতা জানান, তিনি থানায় সেবা নিতে গিয়ে কোনো দালাল ছাড়াই সরাসরি ওসির সহযোগিতা পেয়েছেন। কাটাখালী থানাকে মাদকমুক্ত মডেল থানা হিসেবে গড়ে তুলতে ওসি মোঃ নুরুজ্জামান প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে তিনি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছেন এবং তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন করছেন। তার এই কঠোর অবস্থানের কারণে এলাকায় মাদকের বিস্তার অনেকটাই কমে এসেছে। এ বিষয়ে কাটাখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুরুজ্জামান বলেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সম্মানিত পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাটাখালী থানাকে চুরি, ছিনতাই, মাদক ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতিতে কাজ করছি। বিশেষ করে মাদক ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, জনবান্ধব ও জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশের সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছি এবং আমার থানায় সকল পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে আমি প্রতিনিয়ত দিকনির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছি কোনো ব্যক্তি থানায় পুলিশি সেবা নিতে এসে কোনো হয়রানির শিকার যেন না হয়। কোনো পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তিকে হয়রানির অভিযোগ পেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তার এই জনবান্ধব ও মাদকবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন