২৯ নভেম্বর ২০২২, মঙ্গলবার, ০৬:২৩:১৪ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীর সেই নারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ
  • আপডেট করা হয়েছে : ২২-০৭-২০২২
রাজশাহীর সেই নারীকে মামলায় ফাঁসিয়ে হয়রানির অভিযোগ

 রাজশাহীর সংসদ সদস্যের জলসাঘর ও জমি দখল নিয়ে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেয়া সাবেক নারী ইউপি সদস্য শেখ হাবিবাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় একটি পারিবারিক দ্বন্দ্ব সমাধানে থানায় গেলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

অভিযোগ উঠেছে, গ্রেপ্তারের পর এক নারীকে দিয়ে তার বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা করান সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী। এ মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

হাবিবার স্বামী চা-বিক্রেতা মাসুদ রানা বলেন, আমি চা বিক্রি করি। সারাদিন দোকানে থাকি। মঙ্গলবার স্ত্রী শেখ হাবিবা জানায়, বিকেলে থানায় যাবে। দরবার আছে। এরপর রাতে বাড়ি এসে তাকে পাইনি। ফোন করে ফোন বন্ধ পাই।

পরদিন (বুধবার) সকালে থানা থেকে ডিউটি অফিসার ফোন করে জানান, পুলিশের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করায় হাবিবাকে থানায় আটকে রাখা হয়েছে। শুনেছি মারপিটও করেছে। পরে থানায় যাই। ওসি ছেড়েও দিতে চেয়েছিলেন। পরে দেখি এমপির পিএস দু’জন নারীকে নিয়ে থানায় এসেছেন। তাদের একজন ডলি বেগমকে দিয়ে প্রতারণার মামলা করান।

মাসুদ রানা বলেন, তারা মামলায় অভিযোগ করেছেন, হাবিবা নাকি দেড় লাখ টাকা নিয়ে প্রতারণা করেছে। এ অভিযোগ একেবারেই মিথ্যা। ডলি এমপির লোকদের ঘনিষ্ঠ। এমপির লোকেরা যা বলবে তা-ই করবেন। এমপির পিএস তাকে থানায় এনে মামলা করিয়েছেন। এমপির বিরুদ্ধে পত্রিকায় ও টিভিতে বক্তব্য দেয়ায় তাকে পুলিশ দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটা চক্রান্ত। সাজানো নাটক। ডলির কাছ থেকে হাবিবা কোনো টাকা নেয়নি।

মোহনপুর থানার ওসি তৌহিদুল ইসলাম বলেন, হাবিবা থানায় এসে পুলিশের এএসআই সোলায়মানকে গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছেন। পুলিশকে মারতে আসেন তিনি। এ কারণে ১৫১ ধারায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে একরামুল বলেন, সামাজিক ও রাজনৈতিক নানা প্রয়োজনেই আমি থানায় যাই। ডলি যখন হাবিবার বিরুদ্ধে মামলা করেন, তখন আমি থানায় ছিলাম। আমি ডলিকে থানায় নিয়ে গিয়ে মামলা করিয়েছি, এটা মিথ্যা। ডলির সঙ্গে হাবিবার পুরনো দ্বন্দ্ব ছিল। সূত্র: সমকাল

শেয়ার করুন