০৬ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১:৫৫:১০ অপরাহ্ন
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী বলে ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-০১-২০২৬
ইরানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী বলে ইঙ্গিত দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক ও আইন বিষয়ক উপ-প্রধান কাজেম ঘরিবাবাদী জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে। তিনি বলেন, 'আলোচনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা পাওয়া যাচ্ছে।'


তবে ঘরিবাবাদী স্পষ্ট করে বলেছেন, তাৎক্ষণিকভাবে একটি নিছক বৈঠকের ব্যবস্থা করা যেতে পারে, যদি আমরা ফলাফলমুখী আলোচনা চাই, তাহলে প্রয়োজনীয় শর্তাবলী পূরণ করতে হবে।


ঘারিবাবাদি সাম্প্রতিক ১২ দিনের সংঘাতের প্রভাবের ওপর জোর দিয়ে বলেন, এটি 'ইসরায়েলের অজেয়তার মিথ ভেঙে দিয়েছে' এবং ইরানের শক্তিশালী কূটনৈতিক অবস্থানের ওপর জোর দিয়েছে। তিনি জনসাধারণকে আশ্বস্ত করেন, ইরান দ্বিধা ছাড়াই কূটনীতির জন্য যে কোনো সুযোগ গ্রহণ করবে।


তিনি উল্লেখ করেন, সংঘাত-পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গে ইরানের সম্পর্ক 'মৌলিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে'।


তিনি আরও বলেন, 'কূটনীতি এখনো শেষ পর্যায়ে পৌঁছেনি। কিন্তু যুদ্ধের সময়, আলোচনা মানে ডিক্টেশন এবং আত্মসমর্পণ।'


২০২৫ সালের ১৩ জুন ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনার প্রক্রিয়া চলাকালীন ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে এক স্পষ্ট এবং বিনা উস্কানিতে আগ্রাসন শুরু করে। ইসরায়েলি আক্রমণের ফলে ১২ দিনের যুদ্ধ শুরু হয়- যার ফলে দেশটিতে কমপক্ষে ১ হাজার ৬৪ জন নিহত হয়। তাদের মধ্যে সামরিক কমান্ডার, পারমাণবিক বিজ্ঞানী এবং সাধারণ বেসামরিক নাগরিকও ছিলেন।


আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে তিনটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় বোমা হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রও যুদ্ধে প্রবেশ করে।


জবাবে ইরানি সশস্ত্র বাহিনী দখলকৃত অঞ্চলজুড়ে (ইসরায়েল) কৌশলগত স্থানগুলোর পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়ার বৃহত্তম আমেরিকান সামরিক ঘাঁটি কাতারের আল-উদেইদে মিসাইল ছোড়ে।


২৪ জুন ইরান ইসরায়েলি সরকার এবং যুক্তরাষ্ট্র উভয়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক অভিযানের মাধ্যমে সংঘাত বন্ধ করতে সক্ষম হয়।


শেয়ার করুন