ত্রিয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর আগামীকাল মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় সংসদ সদস্য ও বিকেল ৪টায় মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে। সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শপথ নেওয়া তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় কারা ঠাঁই পাচ্ছেন, তা কাল জানা যাবে। তবে দলে ও দলের বাইরে আলোচনায় আছেন অনেকেই। দলটির ঘোষণা অনুযায়ী চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
স্বচ্ছ ভাবমূর্তি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এ তিন মানদণ্ড প্রাধান্য দিয়ে ২০ থেকে ২২ জনের ছোট আকারের কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। এ ছাড়াও দুই থেকে তিনজন টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় থাকতে পারেন বলে দলের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
অভিজ্ঞতার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। টেকনোক্র্যাট কোটায় অনির্বাচিত বিশেষজ্ঞ ও জোটসঙ্গীদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মিজানুর রহমান মিনু, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম।
এ ছাড়াও সম্ভাব্য মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে যাঁদের নাম শোনা যাচ্ছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আমান উল্লাহ আমান, খন্দকার মোক্তাদির, অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান, শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, রেজা কিবরিয়া, এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আসাদুল হাবিব দুলু, আফরোজা খানম রিতা, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নুল আবদিন ফারুক, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জহির উদ্দিন স্বপন, আলী আসগর লবি, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, রকিবুল ইসলাম বকুল, শরীফুল আলম, অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, নজরুল ইসলাম আজাদ, জি কে গউছ, ব্যারিস্টার নওশাদ জমির, শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক, জাকারিয়া তাহের সুমন, অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, শহীদুল ইসলাম বাবুল, এ কে এম ফজলুল হক মিলন, অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, রফিকুল আলম মজনু, ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, সাইদ আল নোমান, হাবিবুর রশিদ হাবিব, এস এম জিলানী, খন্দকার আবু আশফাক, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, দীপেন দেওয়ান, নুরুল ইসলাম নয়ন, এইচএম সাইফ আলী খানের নাম আলোচনায় রয়েছে।
টেকনোক্রাট ও জোটসঙ্গীদের সম্ভাবনা
টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিসভায় স্থান পেতে পারেন বিএনপির নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, রুহুল কবির রিজভী, হুমায়ুন কবির, অধ্যাপক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, মাহদী আমিন, আমিনুল হক। এ ছাড়া জোটসঙ্গী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, এনডিএম চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দারের নামও আলোচনায় রয়েছে।

