‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ রহিত করে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘সাইবার সুরক্ষা বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
নতুন আইনের মাধ্যমে সাইবার স্পেসে অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও দমন এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার বিধান রাখা হয়েছে। এর ফলে পূর্বে জারি করা ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ বাতিল হলো।
একই দিনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের অংশ হিসেবে মোট ২০টি বিল পাস হয়। এর মধ্যে সকালের অধিবেশনে ১০টি বিল পাস করা হয়। কোনো বিলে দফাওয়ারি সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় এবং কোনো আলোচনা ছাড়াই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের প্রস্তাবের পর সেগুলো পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীরবিক্রম।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। সেগুলো পর্যালোচনা করে সংসদের বিশেষ কমিটি ৯৮টি অধ্যাদেশ অপরিবর্তিত রাখা এবং ১৫টি সংশোধনসহ পাসের সুপারিশ করে। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল এবং ১৬টি নতুন করে বিল আকারে আনার সুপারিশ করা হয়।
আজকের অধিবেশনে আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হয়। এর মধ্যে রয়েছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬ এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল। এছাড়া পাঁচটি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সংক্রান্ত বিল, আমানত সুরক্ষা বিল, গ্রামীণ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন বিল, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিলও পাস হয়।

