১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ০৮:৫২:৫৮ অপরাহ্ন
ইরানে সেনা দিবস উপলক্ষে মোজতবা খামেনির নতুন বার্তা
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৮-০৪-২০২৬
ইরানে সেনা দিবস উপলক্ষে মোজতবা খামেনির নতুন বার্তা

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি দেশটির সেনা দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় সাম্প্রতিক আরোপিত যুদ্ধে সেনাবাহিনীর সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনের মুখে ইরানের সেনাবাহিনী নিজ ভূমি, জলসীমা ও জাতীয় পতাকা রক্ষায় সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে। খবর প্রেস টিভির।


শনিবার (১৮ এপ্রিল) টেলিগ্রামে প্রকাশিত ওই বার্তায় তিনি বলেন, মহান আল্লাহ ও জনগণের সমর্থন নিয়ে, ইরানের সেনাবাহিনী অবিশ্বাস ও অহংকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে এবং বিশ্ববাসীর সামনে মার্কিন ও জায়নবাদীদের দুর্বলতা উন্মোচিত করেছে।


ইসলামি বিপ্লবের নেতা জোর দিয়ে বলেন, ইরানি সেনাবাহিনীর ড্রোন যেমন বজ্রপাতের মতো আমেরিকান ও জায়নিস্ট অপরাধীদের ওপর আঘাত হানে, তেমনি তাদের সাহসী নৌবাহিনীও শত্রুদের নতুন পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ দিতে প্রস্তুত রয়েছে।


ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনির ঘোষণায় সেনাবাহিনীর সম্মানে নির্ধারিত এই দিনে দেওয়া বার্তায় তিনি সেনা সদস্য, তাদের পরিবার এবং সমগ্র ইরানি জাতিকে অভিনন্দন জানান।



মোজতবা খামেনি ইসলামি বিপ্লবের বিজয়কে সেনাবাহিনীর ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এর মাধ্যমে শত্রু ও অভ্যন্তরীণ বিশ্বাসঘাতকদের চাপিয়ে দেওয়া দুর্বলতার যুগের অবসান ঘটেছে।


তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর সেনাবাহিনী স্বৈরাচারী পাহলভি শাসনব্যবস্থার প্রভাব থেকে বেরিয়ে এসে ইরানি জনগণের আপন সান্নিধ্যে নিজেদের যথাযথ অবস্থান খুঁজে পায়।


তিনি আরও বলেন, এই দিবসটি ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির জন্মবার্ষিকীর সঙ্গেও মিলে যায়, যিনি বিপ্লবের প্রথম দশক থেকেই সেনাবাহিনীকে ভেঙে দেওয়ার অশুভ প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে কাজ করেছেন এবং এর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।


সেনাবাহিনীর অগ্রগতি দ্বিগুণ প্রচেষ্টায় এগিয়ে নিতে হবে বলেও তিনি জোর দেন এবং এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা শিগগিরই জারি করা হবে বলে জানান।


বার্তায় খামেনি বর্তমান যুদ্ধকে ইরানের বিপ্লবী ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি তার শহীদ পিতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির প্রতি শ্রদ্ধা জানান, যিনি সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন।


উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর দায়িত্ব নেন মুজতবা খামেনি। কিন্তু এরপর থেকে তাকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।


শেয়ার করুন