১১ মে ২০২৬, সোমবার, ০৩:১৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
অপরাধ দমনে আস্থার নাম ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম
  • আপডেট করা হয়েছে : ১০-০৫-২০২৬
অপরাধ দমনে আস্থার নাম ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মো. মহিদুল ইসলাম

বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর একজন চৌকস ও জনবান্ধব কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচের মো. মহিদুল ইসলাম পিপিএম। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উত্তরাবাসীর কাছে তিনি কেবল একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা নন, বরং অপরাধ দমনে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিত।




অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান



উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় মহিদুল ইসলামের বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ওই এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসে। বিশেষ করে উত্তরা এলাকায় কিশোর গ্যাং দমনে তিনি কঠোর অবস্থান নেন। মাদকের বিরুদ্ধে তার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি এবং তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর অভিযান অপরাধীদের মধ্যে ভীতি তৈরি করে বলে স্থানীয়রা জানান।



ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন



পেশাগত জীবনে তিনি একাধিক আলোচিত ও জটিল মামলার রহস্য উদঘাটন করেন। উত্তরা দিয়াবাড়িতে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে এক কিশোরকে হত্যা মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি, হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ হত্যার রহস্য উদঘাটন এবং র‍্যাব পরিচয়ে কোটি টাকা ডাকাতির ঘটনায় চক্রকে আইনের আওতায় আনা—তার উল্লেখযোগ্য সাফল্যের মধ্যে রয়েছে।



সংকটকালীন দায়িত্বশীল ভূমিকা



বিভিন্ন সংকটময় পরিস্থিতিতেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ এলাকায় বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, উত্তরা স্কয়ার এলাকায় নাশকতা প্রতিরোধ এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থিতিশীল সময়ে আইনশৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখতে তার ভূমিকা প্রশংসিত হয়।



শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা



গাইবান্ধার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া মো. মহিদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন। ২০০৫ সালে পুলিশ বাহিনীতে যোগদানের পর তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৯ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত পূর্ব তিমুর এবং ২০১৩-১৪ সালে সুদান দারফুর মিশনে তার কর্মদক্ষতার স্বাক্ষর রাখেন।



ব্যক্তিগত জীবন



এক কন্যাসন্তানের জনক এই কর্মকর্তা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সহকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে তার ভূমিকা অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট মহলের।


শেয়ার করুন