০২ জুন ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১:১৯:৫৭ অপরাহ্ন
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনে ফ্রান্স সফর নিয়ে কী বললেন রাসিক প্রশাসক
স্টাফ রিপোর্টার :
  • আপডেট করা হয়েছে : ০২-০৬-২০২৬
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে অভিজ্ঞতা অর্জনে ফ্রান্স সফর নিয়ে কী বললেন রাসিক প্রশাসক

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী প্রযুক্তি বিষয়ে প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীকে ফ্রান্স সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে সিগনিফাই বাংলাদেশ লিমিটেড। তবে এ সফরের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকে কোনো অনুমোদনও দেওয়া হয়নি।


মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেলে রাসিকের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য এ সফরের জন্য রাজশাহী সিটি করপোরেশন কিংবা বাংলাদেশ সরকারের কোনো অর্থ ব্যয় হবে না। সফরের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করবে আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান।



বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, সম্প্রতি কয়েকটি অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘সড়কবাতি নিয়ে জ্ঞান অর্জন করতে ফ্রান্সে যাচ্ছেন রাসিক প্রশাসক’ শিরোনামে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা আংশিক ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের ভিত্তিতে প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া আমন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠানটি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কোনো চলমান বা পূর্ববর্তী প্রকল্পের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়।


রাসিক সূত্র জানায়, সফরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমতির জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে মাত্র। এখন পর্যন্ত সরকার কোনো অনুমোদন বা সরকারি আদেশ (জিও) জারি করেনি। ফলে প্রশাসক ফ্রান্স সফরে যাচ্ছেন—এমন তথ্য নিশ্চিতভাবে প্রচার করা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।


এ বিষয়ে রাসিক প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন বলেন, রাজশাহী মহানগরবাসীকে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একটি মহল রাজশাহী সিটি করপোরেশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। সরকারি অনুমোদন ছাড়া সফরের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সুযোগ নেই।



তিনি আরও বলেন, রাজশাহী নগরীর জনস্বার্থে যেকোনো ইতিবাচক উদ্যোগে আমি আগ্রহী। বিগত সময়ে প্রতিটি সড়কবাতি স্থাপনে প্রায় ৬৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসে বিদ্যুৎ সাশ্রয় এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় কমানোর আধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে একটি প্রদর্শনী ও মতবিনিময় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে কত শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব, তা তুলে ধরা হবে।


রাসিক প্রশাসক বলেন, ব্যক্তিগতভাবে আমার যাওয়ার কোনো আগ্রহ ছিল না। তবে রাজশাহীর মানুষের স্বার্থে এবং নগরীর জন্য উপকারী কোনো প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকলে সেটি বিবেচনা করা প্রয়োজন। কারণ এটি রাজশাহীর উন্নয়ন ও সাশ্রয়ী নগর ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।


শেয়ার করুন