ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে। দেশটির যুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী পিট হেগসেথ মঙ্গলবার মার্কিন আইনপ্রণেতাদের এ তথ্য জানান। খবর শাফাক নিউজের।
হেগসেথ বলেন, এই হিসাবের মধ্যে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সম্ভাব্য ব্যয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এটি এর আগে প্রকাশিত সর্বশেষ হিসাবের তুলনায় প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার বেশি।
তিনি অভিযোগ করেন, রাশিয়া ও চীন বিভিন্ন মাত্রায় ইরানকে সহায়তা করছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইরানের প্রতিটি দ্রুতগতির নৌযান, সেগুলোতে থাকা প্রতিটি অস্ত্র কিংবা সব ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করা সম্ভব নয়।
হেগসেথের দাবি, সামরিক দিক থেকে ইরান বর্তমানে আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। তবে দেশটির এখনো উল্লেখযোগ্য সামরিক সক্ষমতা রয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ পুনরায় শুরু করার পর থেকে তারা আটটি বাণিজ্যিক জাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করেছে এবং একটি জাহাজ অকার্যকর করেছে।
সেন্টকম আরও জানায়, হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে। মে মাসের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০০টি বাণিজ্যিক জাহাজকে নিরাপদে চলাচলে সহায়তা করেছে মার্কিন বাহিনী। এসব জাহাজে মোট প্রায় ৪৫ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিবহন করা হয়েছে।

