২৬ অক্টোবর ২০২৬, সোমবার, ০৭:৪৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মা-মেয়েকে হ`ত্যা`য় আব্দুর রউফের মৃ`ত্যু`দ`ণ্ড
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৬-১০-২০২৬
মা-মেয়েকে হ`ত্যা`য় আব্দুর রউফের মৃ`ত্যু`দ`ণ্ড

যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন ও পারিবারিক বিরোধের জেরে স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে আব্দুর রউফ সরদারকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।


সোমবার (২৬ অক্টোবর) সাতক্ষীরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. জাকারিয়া হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।


মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রউফ সরদার সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার ঘোনা গ্রামের আব্দুল্লাহ সরদারের ছেলে। মামলার বাদী নিহত সাবিনা ইসলামের মা জাহানারা খাতুন (৫৬)।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় সাড়ে তিন বছর আগে সাবিনা ইসলামের সঙ্গে আব্দুর রউফের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। পরে যৌতুকের দাবিসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। অভিযোগ রয়েছে, আসামির মায়ের চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা এবং মোটরসাইকেল কেনার জন্য চাপ দেওয়া হয়। একপর্যায়ে সাবিনা মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে চলে যান।


এজাহারে বলা হয়, ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাতে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে থাকার সময় সাইকেলের শব্দ শুনে জেগে ওঠেন জাহানারা খাতুন। পরে ঘরে গিয়ে তিনি মেয়ে সাবিনা ইসলাম ও নাতনি আয়েশা সিদ্দিকাকে খাটের ওপর নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তাঁদের বাঁচানোর চেষ্টা করেও সফল হননি পরিবারের সদস্যরা।


এ ঘটনায় জাহানারা খাতুন থানায় অভিযোগ করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শুরু করে। বিচার চলাকালে চিকিৎসক, তদন্ত কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ ১২ জন সাক্ষ্য দেন। মামলায় আসামির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিও ছিল।


রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) শেখ আলমগীর আশরাফ। মামলার তথ্য অনুযায়ী, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আসামি পলাতক হয়ে যান।




শেয়ার করুন