২৭ নভেম্বর ২০২২, রবিবার, ০৩:৩৬:৩৪ পূর্বাহ্ন
সমাবেশে কর্মকর্তাসহ ৩ পুলিশ সদস্যকে পেটালেন জনতা
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০৬-২০২২
সমাবেশে কর্মকর্তাসহ ৩ পুলিশ সদস্যকে পেটালেন জনতা

নড়াইলের কালিয়ায় এক সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় পুলিশের দুই কর্মকর্তাসহ তিনজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়। সোমবার বিকালের দিকে কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার মাউলী ইউনিয়নের মহাজন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ একজনকে আটক করেছে। মঙ্গলবার সকালে অজ্ঞাতনামা ২০০ জনের বিরুদ্ধে নড়াগাতি থানায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা করেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার মহাজন বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন স্থানীয় মাদ্রাসাগুলোর শিক্ষার্থী, শিক্ষক, আলেম-ওলামা ও সাধারণ জনতা। বিক্ষোভে উপস্থিত জনতা হজরত মোহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপির দুই শীর্ষ নেতা নূপুর শর্মা ও নবীন কুমার জান্দালের কটূক্তির আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাতে সরকারের প্রতি আহবান জানান।

বিক্ষোভ মিছিলটি মহাজন বাজার এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে হরিসভা মন্দির সংলগ্ন সড়ক দিয়ে দক্ষিণ দিকে বিক্ষোভ করতে চাইলে পুলিশ বাঁধা দেয়।

স্থানীয় একটি সূত্র বলছেন, এ সময় এক পুলিশ কর্মকর্তা উসকানিমূলক কথা বললে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছেন বিক্ষুব্ধ জনতা।

আবার অপর একটি সূত্র বলছে, উত্তেজিত জনতা সড়ক সংলগ্ন স্থানীয় এক প্রভাবশালী হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকের বাড়িতে হামলার আশঙ্কায় তাদের সেদিক দিয়ে যেতে বাঁধা দিলে এ সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতার লাঠি-সোটার আঘাতে এসআই খাইরুল ইসলামের ডান হাত ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে, এএসআই অলিয়ার রহমানের মাথায় ও পুলিশের সদস্য মো. সোহেল রক্তাক্ত জখম হন। আহতদের গুরুতর অবস্থায় কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল ও এর আশপাশ এলাকায় অভিযান চালিয়ে কালিয়া উপজেলার নড়াগাতি থানার মাউলী ইউনিয়নের চান্দেরচর গ্রামের আবুল বাসারের পুত্র তৌহিদুল ইসলামকে (২৬) আটক করে। পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানা গেছে।

নড়াগাতি থানার ওসি সুকান্ত কুমার সাহা বলেন, মামলা দায়ের হয়েছে। একজন আটক আছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন