০১ অক্টোবর ২০২২, শনিবার, ০৪:৪১:০৩ পূর্বাহ্ন
যেই জয়ী হোক সমান সুযোগ পাবেন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৫-০৬-২০২২
যেই জয়ী হোক সমান সুযোগ পাবেন: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে যে প্রার্থীই জয়ী হোক, তাকে সমান সুযোগ দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত গ্রাম আদালতের কর্মশালায় এ কথা জানান তিনি।


মন্ত্রী বলেন, আমি যতটুকু জেনেছি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হচ্ছে। নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অসুস্থ হওয়ার কারণ নেই। 


তিনি আরও বলেন, উন্নয়নের ব্যাপারে কোনো দল দেখা হচ্ছে না, মানুষ দেখা হচ্ছে। যার দ্বারা মানুষ উপকৃত হবে সে বিএনপি হোক আর আওয়ামী লীগ হোক তারা তাদের সমমর্যাদার সুযোগ পাবেন।


এদিন সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ চলে। নির্বাচনে মেয়র পদে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত (নৌকা), টানা দুই বারের সদ্য সাবেক মেয়র ও বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মনিরুল হক সাক্কু (টেবিল ঘড়ি), স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার (ঘোড়া), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল (হরিণ) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। 


এছাড়া সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন ১০৮ জন প্রার্থী। তৃতীয় বারের মতো এবার হচ্ছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোট। ২৭টি ওয়ার্ডে বিভক্ত এ সিটির মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০। নারী ভোটার ১ লাখ ১৭ হাজার ৯২ এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ১২ হাজার ৮২৬ জন। হিজড়া ভোটার দুজন।


কুমিল্লা সিটি করপোরেশন প্রতিষ্ঠার পর দুটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১৭ সালের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬ জন। ভোট পড়েছিল ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৯০। এর মধ্যে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছিলেন ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট; আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনজুম সুলতানার নৌকা পেয়েছিল ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট। 


এর আগে সিটি করপোরেশন গঠন হওয়ার পর ২০১২ সালের প্রথম নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা অধ্যক্ষ আফজল খান। সেই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছিলেন মনিরুল হক সাক্কু।

শেয়ার করুন