২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ০৯:০১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপুর পৌরসভায় মেয়র হিসেবে স্বপনকে চায় তৃণমূল, ক্লিন ইমেজে ভরসা ভোটারদের
  • আপডেট করা হয়েছে : ২১-০৯-২০২৬
দুর্গাপুর পৌরসভায় মেয়র হিসেবে স্বপনকে চায় তৃণমূল, ক্লিন ইমেজে ভরসা ভোটারদের

আসন্ন দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূলের আলোচনায় উঠে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দুর্গাপুর পৌর শাখার সদস্য সচিব ও দুর্গাপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সফল সভাপতি আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন। তৃণমূল পর্যায়ের সাধারণ মানুষ ও দলের নেতাকর্মীরা তাকেই আগামীতে দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে দেখতে চান।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছাত্রদলের সভাপতি থাকাকালীন সময় থেকেই আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন দুর্গাপুরের সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকেছেন। তিনি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং একাধিকবার কারা বরণ করেছেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে স্বৈরাচার ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের আন্দোলনে তিনি রাজপথের সামনের সারিতে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শের সৈনিক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জননেতা তারেক রহমানের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে তৃণমূলে পরিচিত।


স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, স্বপন একজন পরীক্ষিত, ত্যাগী ও জনবান্ধব নেতা। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার মধ্যে নেই কোনো চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস বা অনিয়মের অভিযোগ। সৎ ও ক্লিন ইমেজের কারণে একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও বিনয়ী নেতা হিসেবে তিনি ইতোমধ্যে তরুণ সমাজের কাছে আইকনে পরিণত হয়েছেন। তৃণমূল বিএনপি নেতাকর্মীরা বলেন, আহম্মেদ রেজাউল হক স্বপন ভাই দুর্দিনের কান্ডারি। তিনি কখনো পদ-পদবীর জন্য রাজনীতি করেননি, সবসময় মানুষের জন্য রাজনীতি করেছেন। আমরা বিশ্বাস করি, তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে দুর্গাপুর পৌরসভা একটি আধুনিক, দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব পৌরসভায় রূপান্তরিত হবে। ভোটারদের প্রত্যাশা, তিনি মেয়র হলে পৌরসভার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, রাস্তাঘাটের বেহাল দশা ও নাগরিক সমস্যা গুলো সমাধানে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন।

শেয়ার করুন