০৬ জানুয়ারী ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১:৫৫:৪০ অপরাহ্ন
হাদি হত্যা মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট সাত জানুয়ারি দেওয়া হবে: সিনিয়র সচিব
  • আপডেট করা হয়েছে : ০৫-০১-২০২৬
হাদি হত্যা মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট সাত জানুয়ারি দেওয়া হবে: সিনিয়র সচিব

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারিরযোদ্ধা শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আগামী ৭ জানুয়ারি চূড়ান্ত চার্জশিট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি।


সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এমন তথ্য জানিয়েছেন।


নাসিমুল গণি বলেন, হাদি হত্যা মামলায় আগামী ৭ জানুয়ারি চূড়ান্ত চার্জশিট দেওয়া হবে। এরইমধ্যে এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার এ মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।


ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।


স্বরাষ্ট্র সচিব বলেন, সহযোগী সেজে ফ্যাসিস্টের এজেন্ট বা নাশকতাকারীরা যাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে অনুপ্রবেশ ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক দোষারোপে নাশকতাকারীরা যাতে সুযোগ না নিতে পারে বা পার পেয়ে যেতে না পারে, সে বিষয়েও রাজনৈতিক দলগুলোকে সতর্ক থাকতে হবে।


তিনি বলেন, সারাদেশে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বইছে। সেজন্য সড়ক-মহাসড়কে কুয়াশার কারণে দূরের রাস্তাঘাট ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। তাই বিভিন্ন যানবাহনের ড্রাইভারদের সতর্কভাবে গাড়ি চালানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে যাতে সড়ক দুর্ঘটনা না ঘটে। এ ব্যাপারে পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


নাসিমুল গণি বলেন, ‘সভায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অক্ষুণ্ন রাখার উদ্দেশ্যে সরকারের দৃঢ় প্রতিজ্ঞা পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও অপপ্রচার প্রতিরোধ এবং উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহারের বিষয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা করা হয়’।


তিনি জানান, সভায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, চোরাচালান, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ দমনে কঠোর নজরদারি এবং পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখার বিষয়ে নিবিড় আলোচনা হয়েছে। ইতোমধ্যে সীমান্ত ও পার্বত্য এলাকায় নিয়মিত টহল এবং বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে।


শেয়ার করুন