০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, মঙ্গলবার, ১০:২৫:২৭ অপরাহ্ন
নতুন পে-স্কেল কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, এবং প্রভাব কেমন হবে ?
  • আপডেট করা হয়েছে : ০১-০৯-২০২৬
নতুন পে-স্কেল কীভাবে বাস্তবায়ন হবে, এবং প্রভাব কেমন হবে ?

বাংলাদেশের মন্ত্রিসভা দেশটির সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেল অনুমোদনের পর এটি কীভাবে বাস্তবায়ন হবে কিংবা বাড়তি এই বিশাল অংকের অর্থের যোগান কিভাবে নিশ্চিত করা হবে তা নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনা শোনা যাচ্ছে।


একই সাথে পে-স্কেল নিয়ে সরকারি এই ঘোষণার পর দ্রব্যমূল্য বেড়ে যাওয়া অর্থাৎ মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধিসহ নানা ধরনের প্রভাবের আশঙ্কা করছেন অনেকে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী এই পে-স্কেল চলতি বছরের পহেলা জুলাই থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা।


প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, পে-স্কেলে সরকার বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করেছে, তবে বেতন বৃদ্ধির কারণে 'কিছুটা মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি আছে'।


বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি সংকটে উৎপাদনখাতে স্থবিরতার পাশাপাশি রাজস্ব আহরণে দুর্বলতার কারণে অভ্যন্তরীণ আয় সংগ্রহে দুর্বলতার মধ্যেই সরকার চাকরিজীবীদের সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ বেতন বাড়িয়ে নবম জাতীয় বেতন কাঠামো অনুমোদন করেছে।


"এর ফলে সরকারের ব্যাংক থেকে ঋণ বাড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা বাড়ার পাশাপাশি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কাটছাঁট করতে হতে পারে। পাশাপাশি চাপের মুখে পড়বে বেসরকারি খাতের মানুষ," বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন অর্থনীতিবিদ ডঃ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম।


সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠক থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি অবশ্য বলেছেন, প্রতি পাঁচ বছরে পে স্কেল হওয়ার কথা কিন্তু গত ১২ বছরে তা হয়নি। এসব দিক বিবেচনা করে যতটা ব্যালেন্সড করা যায় এই বেতন কাঠামোতে তাই করা হয়েছে।


শেয়ার করুন