১৫ জানুয়ারী ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ০৭:১২:২৯ অপরাহ্ন
চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে ২০ হাজার কোটি টাকা পেলো পিএসজি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৪-০১-২০২৬
চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে ২০ হাজার কোটি টাকা পেলো পিএসজি

ইউরোপীয় ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের গত মৌসুমে শিরোপা জয়ের পাশাপাশি আয়ের ক্ষেত্রেও নতুন রেকর্ড গড়েছে ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি)। 


মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) উয়েফা প্রকাশিত ২০২৪-২৫ মৌসুমের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পিএসজি মোট ১৪৪.৪ মিলিয়ন ইউরো বা প্রায় ১৬৮ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার অর্থ পেয়েছে। 


বাংলাদেশি মুদ্রায় এই বিশাল অঙ্কের পরিমাণ প্রায় ২০ হাজার ৬৪৯ কোটি টাকা। মূলত উয়েফার নতুন ও সম্প্রসারিত ফরম্যাটের কারণে এবার ক্লাবগুলোর মধ্যে অতিরিক্ত ৪০০ মিলিয়ন ইউরো বণ্টন করা হয়েছে, যার বড় একটি অংশ নিজেদের ঝুলিতে ভরেছে প্যারিসের এই ক্লাবটি।


পুরস্কার অর্থের তালিকায় পিএসজির ঠিক পরেই দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রানার্সআপ হওয়া ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলান। তারা আয় করেছে ১৩৬.৬ মিলিয়ন ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৯ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকার সমান। 


৩৬টি দলের নতুন এই ফরম্যাটে প্রতিটি দল লিগ পর্বে অন্তত আটটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়ায় উয়েফার মোট ২ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ইউরোর বিশাল তহবিল থেকে প্রতিটি ক্লাবই লাভবান হয়েছে। এবারের মৌসুমে অন্তত সাতটি ক্লাব ১০০ মিলিয়ন ইউরোর বেশি আয় করেছে, যা আগের ৩২ দলের গ্রুপ পর্বের ফরম্যাটের তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।


বিশাল আয়ের এই দৌড়ে বড় ক্লাবগুলোর মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটি তুলনামূলক পিছিয়ে রয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্সেনালের কাছে হেরে বিদায় নেওয়ায় গতবারের চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ ১০২ মিলিয়ন ইউরোর সামান্য কম পেয়েছে, যা তাদের আগের বছরের আয়ের চেয়ে প্রায় ৩৭ মিলিয়ন ইউরো কম। 


অন্যদিকে ম্যানচেস্টার সিটি নকআউট প্লে-অফে হেরে আয় করেছে মাত্র ৭৬ মিলিয়ন ইউরো। কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা দলগুলোর মধ্যে একমাত্র অ্যাস্টন ভিলা ১০০ মিলিয়ন ইউরোর নিচে (৮৩ দশমিক ৭ মিলিয়ন ইউরো) আয় করেছে। মূলত উয়েফা র‍্যাঙ্কিংয়ে অবস্থান নিচের দিকে হওয়ায় তারা এই অংক পেয়েছে।


আর্থিক প্রতিবেদনে উয়েফার তিনটি ভিন্ন স্তরের প্রতিযোগিতার আয়ের বিশাল ব্যবধানও ফুটে উঠেছে। যেখানে চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে পিএসজি ১৪৪ মিলিয়ন ইউরোর বেশি পেয়েছে, সেখানে দ্বিতীয় স্তরের ইউরোপা লিগ চ্যাম্পিয়ন টটেনহ্যাম পেয়েছে মাত্র ৪১ মিলিয়ন ইউরো এবং রানার্সআপ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড পেয়েছে ৩৬ মিলিয়ন ইউরো। 


তৃতীয় স্তরের কনফারেন্স লিগ জিতে চেলসির আয় হয়েছে মাত্র ২১ দশমিক ৮ মিলিয়ন ইউরো। বিপরীতে এই আসরে অংশ নেওয়া স্লোভাকিয়ার ক্লাব স্লোভান ব্রাতিস্লাভা সব ম্যাচ হেরেও ২২ মিলিয়ন ইউরোর মতো অর্থ পেয়েছে, যা ইউরোপা লিগের রানার্সআপের আয়ের কাছাকাছি।


শেয়ার করুন