০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, রবিবার, ১২:৩৯:১৪ পূর্বাহ্ন
সারজিস আলম ও নওশাদ জমিরকে শোকজ
  • আপডেট করা হয়েছে : ২৪-০১-২০২৬
সারজিস আলম ও নওশাদ জমিরকে শোকজ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে পঞ্চগড়-১ আসনে হেভিওয়েট দুই প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে পৃথক কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।



শনিবার (২৪ জানুয়ারি) বিকেলে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।


নোটিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা হলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১০ দলীয় জোটের শাপলা কলির প্রার্থী সারজিস আলম এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমির।


নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় সারজিস আলম তার নির্বাচনী জোট প্রধানকে স্বাগত জানিয়ে তোরণ, বিলবোর্ড ও ব্যানার স্থাপন করেন। তবে নির্বাচনী আচরণবিধি ২০২৫-এর বিধি ৭(চ) অনুসারে, কোনো প্রার্থী শুধুমাত্র নিজ দলীয় প্রধানের ছবি ও প্রচার সামগ্রী ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য দলীয় প্রধানের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার ও বিলবোর্ড স্থাপন করায় তিনি বিধি লঙ্ঘন করেছেন। পাশাপাশি রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য করে তিনটি তোরণ নির্মাণ করাও আচরণবিধির ১৩(ক) ধারার লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের আইডি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দাখিল না করে প্রচারণা চালানোর অভিযোগও রয়েছে।


অপরদিকে বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ নওশাদ জমিরের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৩ জানুয়ারি পঞ্চগড় পৌর এলাকায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পৌরসভার সহযোগিতায় পরিচালিত অভিযানে তার কর্মী-সমর্থকদের মাধ্যমে একাধিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ধরা পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অনুমোদিত আকারের বাইরে ফেস্টুন ব্যবহার, তোরণ অপসারণে বাধা প্রদান ও অসৌজন্যমূলক আচরণ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুক আইডি দাখিল না করা, ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা, গভীর রাতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবৈধ জমায়েত এবং সরকারি গণভোটের প্রচারণা ব্যানার ছেঁড়ার হুমকি। এসব লঙ্ঘন আচরণবিধির ৭(গ), ৭(৬), ১৩, ১৫(গ) ও ১৬(ক) ধারার মধ্যে পড়ে।


উভয় প্রার্থীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।


জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা কাজী মো. সায়েমুজ্জামান বলেন, উভয় প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছে। তাদেরকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ব্যাখ্যা দাখিলের জন্য বলা হয়েছে।


শেয়ার করুন