হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে কয়েকটি শর্ত পূরণ করতে হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তার দাবির তালিকায় মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া এবং যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের মতো শর্ত রয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব জোলঘাদর আরও দাবি করেছেন, সংঘাতের কারণে ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। পাশাপাশি বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সম্পদও ছাড়তে হবে।
এক বিবৃতিতে জোলঘাদর বলেন, ‘এগুলো ইরানের জনগণের দাবি, যা তারা ১৬০ দিন ধরে মাঠে ও রাজপথে দৃঢ় অবস্থানের মাধ্যমে জোরালোভাবে জানিয়ে আসছে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমেরিকা তাদের আচরণ সংশোধন না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলা হবে না।’
এর আগে শনিবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছিলেন, হরমুজ প্রণালি পরিচালনা নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি রয়েছে তেহরান। তবে প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়টি আরও কিছু শর্তের ওপর নির্ভর করছে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
আরাঘচির ভাষ্য, জুনে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের যে লঙ্ঘন যুক্তরাষ্ট্র করেছে বলে ইরান মনে করে, সেটির প্রতিকারও করতে হবে ওয়াশিংটনকে।
এদিকে ওমানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ইরান-ওমানের আলোচনাকে ‘ইতিবাচক ও গঠনমূলক’ বলে অভিহিত করেছে।
শুক্রবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ওমানের সঙ্গে একটি প্রস্তাবিত কাঠামোগত চুক্তিতে ইরানের আইনপ্রণেতারা মোটামুটি একমত হয়েছেন। তবে চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে প্রস্তাবটি।

