রাজশাহী মহানগরীর পবা, শাহমখদুম, মতিহার ও কাটাখালি থানার পুলিশ পৃথক পৃথক মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে গাঁজা, ট্যাপেন্টাডল, ইয়াবা ও হেরোইনসহ ৯ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে।
আরএমপি সূত্র জানায়, অভিযানে মোট ৪৯০ গ্রাম গাঁজা, ৬৪ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ০.৪৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, মো. মোজাম্মেল ওরফে মোজাম (৫০), মো. নাজমুল হক (৩৫), মো. রাজ্জাক আলী (৪০), মো. লিটন আলী (২৪), মো. সাহারুপ আলী ওরফে রবিন (২২), মো. সাগর আলী (৩২), তাপস বিশ্বাস (২০), মো. অমিত হাসান ওরফে অমি (২৮) এবং মো. রফিকুল ইসলাম (৬০)। তারা সবাই রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
রোববার রাত পৌনে ১০টায় পবা থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল মতিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এসআই মো. রাজিবুল করিমের নেতৃত্বে দাদপুর স্কুল মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক গোয়ালদহ গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে মোজামকে আটক করা হয়।
তার দেহ তল্লাশি করে ৪০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। তার বিরুদ্ধে পূর্বে একটি মাদক মামলা চলমান রয়েছে।
একই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এসআই মো. মমিদুল ইসলাম ও তার টিম শিয়ালবেড় মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে নাজমুল হককে আটক করে। তার কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। নাজমুলের বিরুদ্ধে পবা থানায় তিনটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ছাড়া রাত পৌনে ১১টায় এসআই এ.টি.এম আশেকুল ইসলামের নেতৃত্বে পবা থানার নগর পারিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রাজ্জাক ও লিটনকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে যথাক্রমে ১৪ পিস ও ১০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
অন্যদিকে, বিকেল পৌনে ৫টায় শাহমখদুম থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ফারুক হোসেনের তত্ত্বাবধানে নওদাপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে রবিন, সাগর ও তাপসকে আটক করা হয়। তাদের কাছ থেকে মোট ৪০ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
একই দিনে দুপুর সোয়া ৩টায় মতিহার থানার এসআই অসিত কুমারের নেতৃত্বে তালাইমারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে অমিত হাসানকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
এদিকে রাত সোয়া ৮টায় কাটাখালি থানার এসআই মো. আতিকুর রহমানের নেতৃত্বে শ্যামপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলামকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং ০.৪৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে এসব মাদক নিজেদের হেফাজতে রাখার কথা স্বীকার করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

