নির্বাচনী প্রচারণার লক্ষ্যে আজ চট্টগ্রামে জনসভার আয়োজন করেছে বিএনপি। সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রায় দুই দশক পর দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের চট্টগ্রাম সফর ও মহাসমাবেশকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। মাঠের আশপাশ ব্যানার, ফেস্টুনে ছেয়ে গেছে।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) ভোর থেকে বিএনপি নেতাকর্মীরা দলবেঁধে বা এককভাবে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আসতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ রাত থেকেই সেখানে অবস্থান নিয়েছেন।
সকাল হতে হতে পলোগ্রাউন্ড মাঠের সামনের অংশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাদের সংখ্যা বাড়ছে।
নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, তারা তাদের চেয়ারম্যানকে কাছ থেকে দেখার আশায় সকালে মাঠে উপস্থিত হয়েছেন। এদিকে, সমাবেশস্থল এবং আশেপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন।
মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে, আজ ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে চট্টগ্রাম নগরীর পলোগ্রাউন্ড মাঠে নেতাকর্মীরা জমায়েত হতে শুরু করেছেন। কেউ দলের সঙ্গে, কেউ এককভাবে বা রাত থেকেই অবস্থান নিয়েছেন। মহাসমাবেশের আশপাশের সড়কগুলো ব্যানার এবং ফেস্টুনে সজ্জিত হয়ে গেছে।
সমাবেশে অংশ নেওয়া বিএনপির নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, তারা বহু বছর ধরে তারেক রহমানকে সামনে থেকে দেখার অপেক্ষায় ছিলেন। আজ সেই দীর্ঘ অপেক্ষার পর তিনি তাদের মাঝে আসছেন। অনেক নেতাকর্মীর মতে, তারেক রহমানের এই সফর তাদের উজ্জীবিত করবে এবং বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণাকে আরো শক্তিশালী করবে।
দীর্ঘ দুই দশক পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গতকাল শনিবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর তিনি সরাসরি নগরীর রেডিসন ব্লু হোটেলে চলে যান।
সকাল সাড়ে ৯টায় তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমানের একটি পলিসি ডায়ালগে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠে মহাসমাবেশে যোগ দেবেন। চট্টগ্রাম সফর শেষে তিনি ফেনী, কুমিল্লা এবং নারায়ণগঞ্জে একাধিক পথসভায় অংশ নেবেন।
মহাসমাবেশের জন্য চট্টগ্রাম নগরীতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। সমাবেশস্থল এবং এর আশপাশের এলাকা তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা—রেড জোন, ইয়েলো জোন এবং গ্রিন জোনে বিভক্ত করা হয়েছে। মঞ্চকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যেখানে কেবল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করবেন। মঞ্চের সামনে অংশটি ইয়েলো জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিকরা এবং নারীদের জন্য আলাদা ব্লক থাকবে। পুরো মাঠকে গ্রিন জোন হিসেবে ঘোষিত করা হয়েছে।
এদিকে, ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে এসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়েছিলেন তারেক রহমান। তখন তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে একটি জনসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন।

