কুয়েতের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) ভোরে এই হামলা চালানো হয়।
দেশটি বলেছে, এই হামলার লক্ষ্য ছিল কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কর্নেল সৌদ আবদুলআজিজ আল-আতওয়ান জানান, হামলাটি কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি সংরক্ষণ ট্যাংক লক্ষ্য করে চালানো হয়। আর এটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ওপর সরাসরি আঘাত।
এর একদিন আগে, শনিবার ভোরেও কুয়েত জানায়, তাদের আকাশসীমায় প্রবেশ করা সাতটি ড্রোন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছে। সামরিক বাহিনী জানায়, দেশের উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে এসব ড্রোন প্রতিহত করা হয় এবং ধ্বংসাবশেষ পড়ে কিছু সম্পদের ক্ষতি হলেও অন্য কোনো বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
সামরিক বাহিনী আরও জানায়, বিভিন্ন এলাকায় যে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে তা মূলত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করার সময় ঘটেছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে আসছে। এসব দেশের অনেকগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। কিছু হামলায় বন্দর ও আবাসিক ভবনসহ বেসামরিক স্থাপনায় হতাহতের ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তেহরান বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানের জবাব হিসেবেই এসব হামলা চালানো হচ্ছে। ওই অভিযানে শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

