৬ অগাস্ট ২০২২, শুক্রবার, ০৫:৪৩:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পরীমণির সন্তানের ছবি ও নাম প্রকাশ প্রেমের টানে ছুটে এলেন অস্ট্রিয়ান প্রকৌশলী গরু পাচার মামলায় পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল গ্রেপ্তার আরব নারীদের নিয়ে মানহানিকর প্রতিবেদন, দ্য ইকোনোমিস্টের বিরুদ্ধে মামলা সেনানিবাসে তৃতীয় জানাজা শেষে লে. কর্নেল ইসমাইলকে বনানীতে দাফন সুইস ব্যাংকের তথ্য চাওয়া নিয়ে রাষ্ট্রদূত মিথ্যা বলেছেন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্যক্তিগত সফরে শুক্রবার টুঙ্গিপাড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জ্বালানি তেলের দাম যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন বেটউইনারের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করলেন সাকিব রাবির কেন্দ্রীয় মন্দির সভাপতির বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ
১৯৯৫ সালের পর চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড বৃষ্টি
  • আপডেট করা হয়েছে : ১৮-০৬-২০২২
১৯৯৫ সালের পর চেরাপুঞ্জিতে রেকর্ড বৃষ্টি

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জিতে ১৯৯৫ সালের পর এবারই রেকর্ড পরিমাণে বৃষ্টিপাত হয়েছে। চেরাপুঞ্জিতে শুক্রবার (১৭ জুন) সকাল ৮ টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৭২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।


আইএমডির তথ্য বলছে, বিশ্বের অন্যতম আর্দ্র স্থান, চেরাপুঞ্জিতে ৯ বারের মধ্যে জুনে দৈনিক ৮০০ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে।


গোয়াহাটির আবহাওয়াবিষয়ক আঞ্চলিক কর্মকর্তা সুমিত দাশ বলেছেন, চলতি মাসে শুক্রবার পর্যন্ত চেরাপুঞ্জিতে চার হাজার ৮১ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় পূর্ব খাসি পাহাড়ে অবস্থিত শহরটিতে রেকর্ড পরিমাণে ৮১১ দশমিক ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।


১৯৯৫ সালের ১৬ জুন, ১ হাজার ৫৬৩ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় শহরটিতে। এর একদিন আগে ১৫ জুন ৯৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয় সেখানে। সুমিত দাস বলেন, ‘বছরে দুই একবার দিনে ৫০ থেকে ৬০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি হওয়া চেরাপুঞ্জির কাছে অস্বাভাবিক কিছু নয়। কিন্তু এ ভাবে পর পর ৮০ সেন্টিমিটারের বেশি বৃষ্টি, সত্যিই অস্বাভাবিক।’


সামগ্রিকভাবে ভারতের উত্তর-পূর্ব ও পূর্বাঞ্চলে ২২০ দশমিক ৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ১ জুন থেকে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে স্বাভাবিকের চেয়ে ৩৯ শতাংশ বেশি।


মেঘালয়ে ১ জুন থেকে ৮৬৫ দশমিক ৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ১৫৩ শতাংশ বেশি। অরুণাচল প্রদেশে ২৫৩ দশমিক ১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, স্বাভাবিকের চেয়ে ২২ শতাংশ বেশি, যেখানে আসামে ৩৭২ দশমিক ৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে, যা ৭৯ শতাংশ বেশি।


আগামী দুই একদিন এমন আবহাওয়া পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর।


তবে, এই অঞ্চলের সব রাজ্যে একই রকম আবহাওয়া পরিস্থিতি দেখা যায়নি। মণিপুর, মিজোরাম এবং ত্রিপুরায় ৫০ শতাংশ, ৪৬ শতাংশ ও ৩৮ শতাংশ বৃষ্টিপাতের ঘাটতি হয়েছে এখনো।

শেয়ার করুন